Monday, October 8, 2012

বেনামী

জীবনকে আমি অনেক ভাবে চিনতাম I
মৃত্যুর 'বিপরীত' বলে চিনতাম , চিনতাম
হতাশায় মরে যাওয়া লাশের বুকপকেটে ফেলে আসা 
ব্যর্থতা হিসাবে I 
আর সবথেকে ভালোভাবে চিনলাম 
আমার চারপাশে নিজেরই তৈরী করা বুদবুদটা যেদিন  
ভেঙ্গে গেল ছোট্ট আঘাতে I
জানি এতটা জটিল না ভাবলেই হতো I
ভাবলেই হতো -এই তো বেঁচে আছি ,
খাচ্ছি দাচ্ছি মজা করছি ,
সপ্তাহন্তে shopping mall গুলো চষে বেড়াচ্ছি I
ভাবা ছাড়া আর কি বা করার আছে আমার ?
এতকিছু না ভাবলে
যেদিন জীবনটা হঠাত আমার কাছে এসে বলবে - "দাও,
ছুটি দাও এবার আমায় " -তখন আমি চমকে যাব না ?
মর্গের বেওয়ারিশ লাশটার মতো তখন হয়ত
বুকপকেট হাতরাবো  , আর বলব -"এত তাড়াতাড়ি ?
তোমার বিকল্পটা তো আজও খুঁজে পেলাম না I
আরেকটু থেকে গেলে হতো না ? " 

Tuesday, September 25, 2012

অপ্রাসঙ্গিক

সোফাটায় শুয়ে শুয়ে ভেবেছি -এটা খাটের মতো  নয় ,
তুমি হঠাত চলে এলে জায়গা হবে না একটুও I 
আমারই শরীরের কোনো অপভ্রংস ফেলে রেখে আমি 
শুয়ে  থাকব,আর ভাববো  -এইবার তোমার জায়গাটা ঠিক হয়ে যাবে I 
 
খোলা জানলা দিয়ে রাতজাগা পাখিগুলো চলে যায় এক এক করে ,
কেমন যেন ব্যঙ্গ করে যায় আমায় দেখে I 
কারণটা বুঝতে পারিনা I 
বেশ মনে পরে 
তোমার ঘরের বিছানাটাও খুব একটা বড় ছিল না I   

Monday, September 3, 2012

বুঝতে পারি বেঁচে আছি

যারা আমার ঘুম ভাঙাতে চেয়েছিল
তারা জানত না কালঘুম কাকে বলে I
যারা জীবনে  অপ্রাচুর্যের ভয় দেখিয়েছিল
তারা জানত না প্রাচুর্য আমার সহ্য হয় না একেবারেই I

শুধু ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকালে বুঝতে পারি
বেঁচে আছি ,ওরই মতো  একটার পর একটা বিন্দু পেরিয়ে যাই ,
ঘড়ির তাতে কিছু যায় আসে না ,শুধু  সময়টা এগিয়ে যায় I 
আমিও বেঁচে থাকি , আশেপাশের লোকজনের কারুর বিরক্তি হয় খুব ,
ভালোলাগে ২-১ জনের ,কারুরই অনুভুতি বুঝতে পারি না I
শুধু ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকালে বুঝতে পারি বেঁচে আছি I

রাত্রিকালীন

এখন সবকিছু উল্টে পাল্টে যাওয়ার পর,
এতকিছু চক্রান্ত আর নিঃস্সঙ্গতা সহ্য করার পর ,
মাঝে মাঝে মনে হয়
তোমাকে ফিরে পেলে ভালো হত I
 
আমার কথার মানে যারা বোঝে না
তাদের ভিড় জমে আছে ,
যদিও তুমিও খুব একটা বুঝতে না ,তবে ভালবাসতে খুব I
আজ খোলা জানালায় নারকেলের পাতার ফাঁক দিয়ে চাঁদ দেখি ,
পাতাগুলো আমার নিরুপায় হাতের মতো
চাঁদকে ছুঁতে পারেনা একটুও I
 
তবু তার পাতার ফাঁক দিয়ে
চাঁদের সৌন্দর্য লুটে নিয়ে যায় নেড়ি কুকুরের দল,
এতকিছু বলেও আমি নিরুপায় I
এতকিছু ভাবার পরেও 
শুধু জানলাটা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া 
আমার আর কিছু  করার নেই I  

Thursday, August 16, 2012

রোজনামচা

এরকম ভাবে আর দিন কাটানো যায় না I
প্রতিদিন রাতে আমি কবিতা লিখি শুয়ে শুয়ে ,
আর ঘুম ভেঙে দেখি বেশ কয়েকবার ,
আগের রাতের চিন্তাগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিতে ইচ্ছা করে I
 
আবার রাত্রে আমার রক্তে কি যে নেশা লাগে ! 
ভাষা খুঁজে ফিরি আস্তাকুঁড় থেকে I
যেকরে হোক একটা কিছু লিখতেই হবে I
নিজের সাথে নিজের ই যুদ্ধ চলে ক্রমাগত ,
শেষে কে যেতে আমি নিজেই জানি না I
রাতের বিজয়ী সকাল হলেই বিজিতের পোশাক পরে নেয় ,
আমি সারা দিনটা  কাটিয়ে দিই কোনরকমে I 
 

Sunday, July 29, 2012

মৃতের মতো

মৃত মানুষের মতো শুয়ে আছি আমি I  
নাকে তুলো আর চোখে তুলসী পাতা টা শুধু নেই,
শরীরটাও কাঁপছে অল্প অল্প -ব্যাস,
বাকি সবকিছু এক মনে হছে I 

পাশে একটু চোখের জল ফেলার ভিড়টাও  নেই 
কৌতুহলীর ভিড়টাও আশ্চর্য ভাবে উধাও 
শুয়ে আছি যাতে  সেটাও কাঁধে তোলার মতো নয়  I
তীব্র গন্ধ ঢাকা দেওয়ার মতো ধুপ সব-
 আশ্রয়  নিয়েছে ঠাকুর ঘরে ,
তবু কেন যেন মনে হচ্ছে মৃত আমি I
মৃত তো আমি বটেই ,
শুধু মৃত্যুটা আমার কিসের সেটাই জানা বাকি I 

Wednesday, July 25, 2012

মাঝে মাঝে এমনও হয়

গভীর রাতে যখন এই শহরের গলিপথ ধরে হাঁটি
তখন রাস্তায় আর কারুর থাকার কথা নয় ,
তবু থাকে, কোনো কোনদিন উদ্ভ্রান্ত আমার চিন্তারা,
আর তোমার ছবিগুলো, যেন ছায়াছবির থেকেও বড় I
দৌড়াতে পারি আমি, তাই বলে কি ওরা আমার পিছু নেওয়া ছেড়ে দেবে?
দৌড়ে নিয়ে যাবে বড় রাস্তার দিকে , যাতে ২-১ টা গাড়ি আমায় মাড়িয়ে যেতে পারে
আমি কোনরকমে ঢুকে পড়ি গাড়ির ভেতর I
যখন বাড়ির পথে তখন আমার শরীর মন যেন বোঝার বস্তা যত I
এটাই কি তুমি চেয়েছিলে?
বলো নীলা, যা চেয়েছিলে তা দিতে পেরেছি তো ?

Tuesday, July 17, 2012

প্রথম সেই ভুল

হঠাত গলার কাছে যেন আটকালো একটা কিছু I
শুরু হলো অনেক খোজাখুজি , শুধু দুজনে মিলে I
আচমকা মাথার মধ্যে এ কিসের তরঙ্গ ?
হাতে দেখি জ্ঞানবৃক্ষের ফল I

এ কি করলাম আমি?
নিশ্চয়ই কিছু বীজ পড়েছে মাটিতেও ,
আবার খোঁজা শুরু I
কোথা থেকে শিকড়  যত এসে  জড়িয়ে ধরল তোমায় ,
তোমার শরীর বেয়ে উঠে আসছে উপরে ,যেতে চায় মস্তিস্কে I
পৌছে  গেছিল বোধায় I

সেদিন থেকে খেলা হলো শুরু,
লাগলো কত অচেনা রঙের দাগ ,
বলা ভালো একটু একটু করে সঞ্চিত সব জ্ঞান I 
একটা জিনিস ভুলেই গেছি সবাই ,
ফলটা   খাওয়া বারণ  ছিলো সবার I   

Monday, July 16, 2012

নির্জনতার কথা

নির্জনে থাকতে থাকতে আজ আমার শ্রবণশক্তি প্রায় বিকল ,
তবু কি যেন শব্দ শুনতে পেলাম কোথাও I 
জানি না সেটা শব্দ না শুধুই অনুরণন ,কবেকার শোনা কোনো কথার I 
যেমন করে ভালবাসার রেশ থেকে যায় হারিয়ে যাওয়ার পরেও,
ভুল না ভাঙলে বোঝা যাবে না একেবারেই I 
বোঝার জন্য আরো একটু সময় যে এখনো দরকার I   

Tuesday, July 10, 2012

শুধুই একটি ঘটনা

আলেয়ার সাথে যার ছিল ওঠা বসা
সে কেন আজ হঠাত  মরতে চায় ?
আলো দেখে ভয় পেয়েছে বোধায় I
ভয় তো সে পাবেই I
আলেয়া তে কতটুকুই  বা  আলো থাকে ?
আজ সে হঠাত মেট্রোপলিটান এর আলোর সামনে I
 ভয় পেয়ে সে দৌড়ে ঢুকেছিল পাতালে,
এটাকে এই শহুরে  লোকেরা METRO বলে I
কিন্তু এখানেও তো কত আলো !
সবথেকে বেশী আলো ওই যুবতী নারীর  ধরা প্রেমিকের হাতে  ,
মা এর কোলে , শিশুর গায়ে , চারিদিকে I
এতকিছুর মাঝে ওর লাইন টাই অন্ধকার মনে হলো,
সিগনাল এর লাল আলোটা পরিচিত  আলেয়ার মতো I
এক ছুটে ঝাঁপ  দিল সে ওখানে I
পরিনামে শুধু  পেল  সুন্দরী রিপোর্টার এর  মুখ থেকে বেরোনো BREAKING NEWS
"ফের মেট্রোয় আত্মহত্যা" I 
 

Friday, July 6, 2012

পাওয়া - না পাওয়া

মানুষ যদি পেত যা যা সে চেয়েছিল
তবে তোমার আমার চোখ মরুভূমি হয়ে যেত I
এমন ই কঠোর  বাস্তব ভেবেছি কত রাত !
মনের অচেনা তল কিংবা সমুদ্রের - এক মনে হয় I
 
আমি কিছু ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ আনতে পারি তোমার জন্য - আমার স্বপ্নের মতো I
সেখানে আমি থেমে যাই হঠাত কোনো বাঁকে ,
যেখানে তোমার আমার পথ আলাদা হয়ে গেছে ,
বোধ জেগে ওঠে আমার I
সব যদি পেতাম তবে তবে তোমার আমার চোখ আজ মরুভূমি হয়ে যেত I

Tuesday, July 3, 2012

এক পাগলের গল্প

আজ আমি এক পাগলের গল্প বলব .
গভীর রাতে যখন ঘরে ঘরে নিভে যায় আলো
কোথাও ক্লান্তিতে ,কোথাও বা ভালবাসায় ,
তখন তার ঘুম ভাঙ্গে হঠাত.
নিঃশ্বব্দে দরজার শাসন পেরিয়ে নেমে পরে রাস্তায় , কিসের টানে ?
প্রশ্ন করলে হয়ত পাবো এক শুন্য দৃষ্টি ,ব্যাস .
ভাবলাম পিছু নিই তার .
কোথায় সে যায় এতো রাতে ?
ভালো কি লাগে না তার নরম বালিশের আলিঙ্গন ,কিংবা কোনো শিহরণ ?

foothpath নয় ,একেবারে মাঝ রাস্তায় তার পা চলে ;
গুটিকয় হর্ন যেন ওকে পাশ কাটিয়ে চলে যায়
জানে সবাই -ও পাগল .
কবরখানার পাশ দিয়ে অনায়াসে হেঁটে যায় .
আরে ! মৃত্যুকেও তোয়াক্কা করে না নাকি ?
স্থির করলাম দেখতেই হবে আজ কোথায় যায় এই পাগল ?

এমন ভেবে হেঁটেছি  কতক্ষণ নিজের ই  মনে নেই.
শেষে ওই দুরে দেখি -একি!আলো বুঝি ?
তবে কি ভোর হয়ে এলো ?
ডাক দিয়ে তাকে জোরে ,আরো জোরে .
হঠাত তার মুখ ফেরে ,মুখে এক অদ্ভুত হাসি .
কিসের জন্য এতো আনন্দ ওর? জগতের এতো দুঃখ  কি ওর চোখে পরে না ?
নাকি মস্তিস্কের কোনো স্নায়ুও ঠকিয়েছে ওকে ?
বোঝে না কিছু ,পাগল যত .

কিন্তু এই হাসি এতো চেনা লাগে কেন ?
আমার ই প্রতিচ্ছবি আমি কেন দেখি ওর মাঝে ?
পরক্ষনেই দেখি ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় ও -আমার প্রতিচ্ছবি ,
 পৃথিবী তে যা কিছু চোখে পরে সব .
এতদিনের যত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাই .
ফিরে আসি তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকে .
ঢোকার মুখে উঁকি দিয়ে যাই ওর জানালায় .
অঘোরে ঘুমায় সেই লোক ,
পাগল, নাকি আমার ই হারানো যত বোধ ?
.

Monday, July 2, 2012

সুখ না অসুখ ?

বেশ অনেক দিন পর  মনে হচ্ছিল সুখের মুখ দেখতে চলেছি I
ভুলেই গিয়েছিলাম  সুখ আসলে কবিদের অসুখ I
এই অসুখে আমিও ডুবে ছিলাম  অনেকদিন ,
শব্দ গুলো হারিয়ে যেতে বসেছিলাম প্রায় ,
কি যেন এক অদ্ভুত শূন্যতা ছিল DIARY 'র পাতা জুড়ে I
ঠিক এখান আবার তাই মনে হচ্ছে I
তুলে রাখলাম আমার কবিতার খাতা I
চোখের জল অনেক পরেছে ওতে ,
জানি না কতদিন ওটা কে ফেলে রাখতে পারব
রাখতে পারলে বেশ ভালো হত I

Friday, June 29, 2012

নেশাগ্রস্থ

আমি ৬-৭ মাস আগেও নেশা করতাম না ,নীলা-বিশ্বাস করো I
তুমি ই তখন ছিলে আমার কাছে সবথেকে বড় নেশা I
প্রথম প্রথম তোমার ওই গভীর চোখে তাকানো টাই ছিল আমার কাছে নেশার মতো,
তারপর ধীরে ধীরে এলো তোমার হাসি , তোমার একটু হাত টা ধরা ,
নেশায় ডুবে যেতে থাকলাম আরো I
তারপর একদিন তোমার শরীরের গন্ধ পেলাম I
ডুবে গেলাম আরো কত নেশায় - লেখা যায় না এমন কত কিছু
শুধু তুমি চেয়েছিলে বলে I 
ওই মারাত্মক শরীরের নেশা আমি সবথেকে বেশী চাইতাম তখন I
বিশ্বাস করো নিলা এখন আর আমি কোনো নেশা করি না I 

সব কথার মানে থাকতে নেই

কতদিন এভাবে বৃষ্টি আসেনি অনেক ভেবেও মনে পড়ল না I
তোর সাথে শেষ দেখা হওয়ার আগে এমন বৃষ্টি হত I
তারপর কোথায় যে মেঘ অভিমানে চলে গেল তার খোঁজ আমি বা তুই কেউ রাখলাম না I
এখন ঘোর দুর্দিনে সে আবার ফিরে এসেছে I
যেমন করে তুই ও কখনো আসতিস একঘেয়ে রাতে আমার ফোনের ভেতর ,
যেন এক্ষুনি রেখে দিবি GOOD NIGHT বলে
তাই তাড়াতাড়ি সব কথা বলে নিই - ভালবাসার,
কোনদিন আর বলতে পারব না ভাবিনি সেদিন ও I

এতসব ভাবতে ভাবতে খেয়াল ই করিনি জানলা টা খোলা ছিলো I
বৃষ্টির ফোঁটা একটু একটু করে জমছে MOBILE এর স্ক্রীন এ I
জানি এতটা জলেও সাগর হবে না I
MOBILE টা ফেলে রাখি যেখানে ছিলো I
ওকে একটু চোখের জল ফেলার সুযোগ করে দিই I

Thursday, June 21, 2012

swapno dekhi sabdhane

স্বপ্ন দেখতে দেখতে ভুলেই গেছিলাম  আমার বাস্তব টা
প্রতিদিনের খামখেয়ালী চিন্তা গুলোই সত্যি মনে হতে লাগলো একদিন
আর ঠিক তখনি তোমার হটাথ সরে যাওয়া ,স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার
তবুও বাস্তবে ফিরতে সময় লেগেছিল অনেকদিন
তাই বলে কি বাঁচতে ভুলে গেছি ?
যন্ত্রনা তখন ও ছিল আজ আছে ,
তবু এখন বাস্তবের মাটি তে পা পরে
স্বপ্ন গুলো সব ই ছিল কেমন বোকা বোকা ,
আর আজ? আজো স্বপ্ন দেখি- খুব সাবধানে

বৃষ্টি এবং

অরাত্রিকা- তোমায় যে আঁধারের কথা বলেছিলাম
আজ তা হঠাত আমার জানালায় ,
সব আলো কে লুকিয়ে নিয়ে কোথায়
আঁধার এলো আবার খোলা জানালায় I
বৃষ্টি নামার এই আঁধার তাই তো আমি চেয়েছিলাম ,
অরাত্রিকা -এই আঁধারেই তো তোমায় ভালোবেসেছিলাম I
আজও এই মেঘের কালো দেখে
তোমার কালো চুলের কথায় ভাবি ,
বৃষ্টির ওই রিমঝিম ছন্দ
যেন তোমার নুপুরের রিনিঝিনি I
শব্দ আমার যতটুকু আছে
শেষ হয়েছে  তোমার বিশেষণে ,
আজ এই বৃষ্টি তে খোলা ছাদে
অরাত্রিকা -একটু ভিজো আমার জন্যে I
 

Wednesday, June 20, 2012

সরীসৃপ

সারা শরীরে তোমার এতো রোমাঞ্চ আমি আগে কখনো দেখিনি I
অনুভূতির আনাচে কানাচে যা কখনো পাইনি তা আজ বুকের খুব কাছে ,
সাপের মতো সিরসিরে এক ঠান্ডা স্পর্শ শরীর ছুয়ে যাছে আমার ,
আষ্টেপিষ্টে বাঁধতে চাইছ তুমি আসতে আসতে I
এমন বাঁধনে কখনো আমার উষ্ণতা বোধ হতো,
প্রবল শব্দে হৃদয় জানাতো তোমার ভালবাসা ,
আর আজ তোমার স্পর্শ ঠান্ডা -সরীসৃপের রক্তের মতো I
আজ আমার উষ্ণতা তোমার কিসের প্রয়োজন ?
শীতঘুমে যাবে বলে নাকি ?
যাই হোক কারণ অকারণ .
আমার বাঁচা ও আজ সরীসৃপের মতই সাধারণ I

অসম্ভব তবুও

বেশ কিছু মাস আর অল্প কযেকটা দিন পর আজ মনে হলো - নীলা, তোমাকে ছাড়াও বাঁচা যায়
যদি কাল ও জিগ্যেস করতে তাহলেও খুশি হওয়ার মতো উত্তর নিশ্চই পেতে I
শুধু একটা দিনের ব্যবধান ,
আর আজ মনে হলো - নীলা , তোমাকে ছাড়াও বাঁচা যায় I
কাল ও হয়ত রাত্রে শুয়ে শুয়ে ভেবেছি তোমার কথা
মনের না শরীরের-কে জানে?
আর আজ রাত্রেই যদি তোমার আমাকে মনে পরে?
একটু দেরী হয়ে গেল I
আজ ই যে মনে হলো - নীলা , তোমাকে ছাড়াও ভালবাসা যায় I